450.00৳ Original price was: 450.00৳ .350.00৳ Current price is: 350.00৳ .
350.00৳ Original price was: 350.00৳ .300.00৳ Current price is: 300.00৳ .
350.00৳ Original price was: 350.00৳ .300.00৳ Current price is: 300.00৳ .
350.00৳ Original price was: 350.00৳ .300.00৳ Current price is: 300.00৳ .
250.00৳ Original price was: 250.00৳ .200.00৳ Current price is: 200.00৳ .
450.00৳ Original price was: 450.00৳ .400.00৳ Current price is: 400.00৳ .
600.00৳ Original price was: 600.00৳ .550.00৳ Current price is: 550.00৳ .
350.00৳ Original price was: 350.00৳ .300.00৳ Current price is: 300.00৳ .
প্রোডাক্ট বর্ণনা:
আকার: ৮ ইঞ্চি × ১০ ইঞ্চি
উপাদান: খাঁটি কাঠ
ডিজাইন: হাতে আঁকা রঙের নকশা
আকৃতি: গোল ও চতুর্ভুজ পিঁড়ি
ব্যবহার: প্রতিমা বসানো, পূজা সামগ্রী রাখা, দৈনন্দিন বা বিশেষ পূজা-পার্বণ
1,000.00৳ Original price was: 1,000.00৳ .850.00৳ Current price is: 850.00৳ .
হিন্দু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অসংখ্য উপকরণের ব্যবহার দেখা যায়। এসব উপকরণের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম হলো পূজার পিঁড়ি। এটি সাধারণত কাঠ, বাঁশ, শোলা বা ধাতব পদার্থ দিয়ে তৈরি হয় এবং পূজা-অর্চনা, প্রতিমা স্থাপন কিংবা ভক্তদের বসার কাজে ব্যবহার করা হয়। সহজভাবে বলতে গেলে, পূজার আয়োজন কখনোই পিঁড়ি ছাড়া সম্পূর্ণ হয় না।
পিঁড়ি শুধুমাত্র একটি আসবাব নয়, এর মধ্যে রয়েছে আধ্যাত্মিক তাৎপর্য।
শুচিতা বজায় রাখা: পূজার সামগ্রী সরাসরি মেঝেতে না রেখে পিঁড়িতে রাখলে পবিত্রতা অক্ষুণ্ণ থাকে।
ভক্তির প্রকাশ: দেবদেবীর মূর্তি বা ছবি উঁচুতে স্থাপন করলে তা ভক্তির মর্যাদা বাড়ায়।
পরিবেশ সুন্দর করা: সযত্নে সাজানো পিঁড়ি পূজার পরিবেশকে আরও মনোরম করে তোলে।
ঐতিহ্য সংরক্ষণ: প্রাচীনকাল থেকে পূজার পিঁড়ি ব্যবহার হয়ে আসছে, যা আজও আমাদের সংস্কৃতির অংশ।
প্রায় সব ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানেই পিঁড়ির ব্যবহার আছে। যেমন—
দুর্গাপূজা: প্রতিমার সামনে ধূপ, প্রদীপ ও ফুল রাখার জন্য পিঁড়ি ব্যবহৃত হয়।
লক্ষ্মী ও কালীপূজা: দেবীর প্রতিমা বা ছবি পিঁড়িতে বসিয়ে পূজা করা হয়।
বিয়ে ও উপনয়ন: এই বিশেষ আচারগুলোতেও বর-কনে বা বালককে পিঁড়িতে বসানো হয়।
দৈনন্দিন ঠাকুরঘর পূজা: ঘরের পূজায় ছোট আকারের কাঠের বা বাঁশের পিঁড়ি অপরিহার্য।
বাংলার গ্রামীণ সমাজে পিঁড়ির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। একসময় গ্রামে হাতে তৈরি কাঠ ও বাঁশের পিঁড়ি ব্যবহার হতো। শোলা দিয়ে তৈরি পিঁড়ি যেমন হালকা, তেমনি শোভাময়। আজকের দিনে যদিও প্লাস্টিক বা ফাইবারের পিঁড়ি পাওয়া যায়, কিন্তু ঐতিহ্যবাহী কাঠের বা বাঁশের পিঁড়ির কদর এখনো অপরিসীম।
পিঁড়ির ধরন নানা রকমের হতে পারে:
কাঠের পিঁড়ি: টেকসই ও প্রচলিত। শাল, গামারি বা সেগুন কাঠ দিয়ে তৈরি হয়।
বাঁশের পিঁড়ি: হালকা ও সহজে বহনযোগ্য, গ্রামে বেশি প্রচলিত।
শোলার পিঁড়ি: হালকা ও সাজানো কাজে ব্যবহার হয়।
পিতল/তামার পিঁড়ি: দামি হলেও পূজার মর্যাদা বাড়ায়।
ফাইবার বা প্লাস্টিকের পিঁড়ি: আধুনিক ও দীর্ঘস্থায়ী বিকল্প।
পিঁড়ি দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে চাইলে নিয়মিত যত্ন নেওয়া জরুরি।
পূজা শেষে পানি দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে রাখতে হবে।
কাঠের পিঁড়ি হলে মাঝে মাঝে বার্নিশ বা তেল দিতে হয়।
পিতল বা তামার পিঁড়ি পরিষ্কার করার জন্য ধাতব ক্লিনার ব্যবহার করা উচিত।
পিঁড়িকে অশুচি কাজে ব্যবহার করা একেবারেই উচিত নয়।
পূজার পিঁড়ি হিন্দু পূজা-অর্চনার এক অপরিহার্য উপাদান। এটি শুধু পূজার সামগ্রী সাজানোর স্থান নয়, বরং ভক্তি, আধ্যাত্মিকতা ও ঐতিহ্যের প্রতীক। আধুনিকতার ছোঁয়ায় পিঁড়ির আকার-আকৃতি ও উপকরণ বদলালেও এর গুরুত্ব আজও অটুট। তাই যেকোনো পূজা-পার্বণ কিংবা আচার-অনুষ্ঠানে পূজার পিঁড়ি অবশ্যই অপরিহার্য।
We use cookies to improve your experience on our site. By using our site, you consent to cookies.
Manage your cookie preferences below:
Essential cookies enable basic functions and are necessary for the proper function of the website.
These cookies are needed for adding comments on this website.
Statistics cookies collect information anonymously. This information helps us understand how visitors use our website.
Google Analytics is a powerful tool that tracks and analyzes website traffic for informed marketing decisions.
Service URL: policies.google.com (opens in a new window)
WhatsApp us